Home Uncategorized ১৮ তম সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উপাচার্যকে স্মারকলিপি বরাক ব্রহ্মপুত্র যুব ফোরামের

১৮ তম সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উপাচার্যকে স্মারকলিপি বরাক ব্রহ্মপুত্র যুব ফোরামের

আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিমধ্যে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুসারে ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ অনুষ্ঠিত হওয়া ১৮ তম সমাবর্তনে কেবলমাত্র ডিএসসি, পিএইচডি প্রার্থী এবং স্বর্ণপদক প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরই অংশ নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বিভিন্ন কলেজের বিভিন্ন স্রোতের সর্বাধিক শিক্ষার্থীরা ১৮ তম সমাবর্তনের জন্য আবেদন করেছিল এবং তারা সমাবর্তনে অংশ নেওয়ার জন্য ১৫০০ টাকা ফি প্রদান করেছিল।তাছাড়া ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে এবং তাদের সার্টিফিকেট ডাকযোগে প্রেরণ করা হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃক জানানো হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নেওয়া এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন।তার মধ্যেই রয়েছে বরাক ব্রহ্মপুত্র যুব ফোরাম।গতকাল সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষ কিছু দাবি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

উপাচার্যকে দেওয়া স্মারকলিপিতে বরাক ব্রহ্মপুত্র যুব ফোরামের পক্ষে দাবি করা হয়েছে যে আমরা আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সমাবর্তন সম্পর্কিত আমাদের জরুরি উদ্বেগের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই আমরা সকলেই এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের ডিগ্রি পাওয়ার জন্য প্রায় এক বছরের জন্য অপেক্ষা করছি যা আমাদের সকলের জন্য একটি স্বপ্ন এবং আমাদের বেশিরভাগের জন্য একটি লাইফটাইম ইভেন্ট তবে দুর্ভাগ্যক্রমে গতকাল একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত যা সকলের স্বপ্ন ভেঙ্গে দিয়েছে বিজ্ঞপ্তি অনুসারে কেবলমাত্র সংশ্লিষ্ট কোর্সের স্বর্ণপদক এবং পিএইচডি ডিগ্রিধারীরা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারবেন। স্যার এটি মারাত্মকভাবে বেআইনী, বৈষম্যমূলক এবং হৃদয় বিরতি। সুতরাং এই বিষয়ে আমরা ছাত্র ভ্রাতৃত্বের নিম্নলিখিত দাবি বিবেচনা করার আপনাকে অনুরোধ জানাই।

একটি পরিকল্পনা তৈরি করা উচিত যাতে প্রত্যেকে এই শুভ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারে I যদি আরও বেশি সময়ের জন্য এই অনুষ্ঠানটি স্থগিতের প্রয়োজন হয় তবে স্থগিত করুন।

কোভিড -১৯ প্রোটোকল বজায় রেখে পর্যায়ক্রমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যেতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি আমাদের দাবি গুলো সহানুভূতির সাথে বিবেচনা না করতে পারে,তবে সমাবর্তনের জন্য আমরা যে অর্থ দিয়েছি তা ফেরত দিতে হবে এবং যদি কেউ কেউ অনলাইন মোডের মাধ্যমে সমাবর্তনে অংশ নিতে ইচ্ছুক থাকে তবে তারা যে অর্থ দিয়েছিল তার অর্ধেক ফেরত দিতে হবে, কারণ এই মহামারী আমাদের অর্থনৈতিকভাবেও অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে।

আমরা এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সহানুভূতি এবং ইতিবাচক ফলাফলের প্রত্যাশা করি এবং আমরা আশাবাদী যে আমাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কথা ভাবতে হবে না।

তাছাড়া সংগঠনের সভাপতি পল্লব দে আমাদের জানিয়েছেন, “আমরা উপাচার্যের কাছে ই-মেইলের মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছি এবং আমি শ্রদ্ধেয় ডিএসডাব্লু স্যারের সাথে টেলিফোনে কথাবার্তাও করেছি এবং তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে তিনি এই বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন, যদি আমাদের দাবি পূরণ না হয় তবে আমরা গণতান্ত্রিকভাবে আমাদের আওয়াজ তুলব এবং আমরা সাফল্য না পাওয়া পর্যন্ত লড়াই করব, আমি সকল ছাত্র সংগঠনকে এ বিষয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানাই যাতে আমরা একটি সঠিক সমাবর্তন পেতে পারি।”