Home Uncategorized চীনের হাইব্রিড যুদ্ধবিগ্রহ ! ভারতের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী সহ ১০ হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তির...

চীনের হাইব্রিড যুদ্ধবিগ্রহ ! ভারতের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী সহ ১০ হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তির উপর গুপ্তচরবৃত্তি করছে চীন

ভারত-চিন সীমান্তের যুদ্ধাবহের মাঝেই ভারতের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রের অন্তত ১০ হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপর নজরদারির অভিযোগ উঠল চীনের উপর। ইন্টারনেট 2.0 নামের একটি সাইবার সুরক্ষা পরামর্শ সংস্থা এই তথ্যটি ভারতের সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে।

ওই তথ্য অনুযায়ী রাজনীতি থেকে বিনোদন, ক্রীড়া থেকে সংবাদমাধ্যম— এমনকি অপরাধী ও জঙ্গিদের সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে দক্ষিণ পশ্চিম চীনের গুয়াংডং প্রদেশের শেনঝেন শহরের ‘শেনহুয়া ডেটা ইনফরমেশন টেকনোলজি কোম্পানি লিমিটেড’ নামে একটি সংস্থা। চীন সরকার, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি, চীনের সেনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে এই তথ্য সরবরাহ করছে সংস্থাটি। ২০১৮ সালে জেনহুয়া সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। তারপর চীন জুড়ে ২০টি প্রসেসিং কেন্দ্র তৈরি করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ডিজিটাল কার্যকলাপের ওপর নজরদারি চালিয়ে ‘‌ডেটা লাইব্রেরি’‌ তৈরি করে এই সংস্থা। যার মধ্যে ‘‌টার্গেট’–ব্যক্তিদের‌ সম্পর্কে শুধু সংবাদসূত্র নয়, কাগজপত্র, পেটেন্টস, বিডিং ডকুমেন্টসই সহ তাঁদের নিয়োগ–সংক্রান্ত বহু তথ্য রয়েছে ওই সংস্থার হাতে। একটি ‘‌রিলেশনাল ডেটাবেস’‌ তৈরি করে বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্যও মজুত রাখা হয়েছে ওই ভান্ডারে। সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যক্তিগত তথ্য, তা সে পোস্টই হোক বা ফ্রেন্ডলিস্ট, ফলোয়ার্স, কমেন্টস, লোকেশন– সব তথ্যই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার সংগ্রহ করা হয়।

রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, নির্মলা সীতারামন, স্মৃতি ইরানি, পীযূষ গয়ালের মতো কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও কংগ্রেস প্রধান সোনিয়া গান্ধী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বহু বিরোধী নেতারাও এই নজরদারির আওতায় রয়েছেন।তাছাড়াও দেশের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে সহ সুপ্রিম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিরাও রয়েছেন এই নজরদারির আওতায় ।সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে এবং সিডিএস জেনারেল বিপিন রাওয়াত সহ ভারতীয় সেনার বিশিষ্ট অধিকারিকদের উপরও গুপ্তচরবৃত্তি করছে এই সংস্থা। ২৪ ঘন্টা সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে এই সংস্থা। তাদের পোস্ট , ফ্রেন্ডলিস্ট, ফলোয়ার্স, কমেন্টস, লোকেশন সব তথ্য আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের চুরি করে নিচ্ছে এই সংস্থা যা চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে।