Home Uncategorized অনিশ্চয়তার বাদল ঘিরে এইবারের দুর্গাপুজো পশ্চিমবঙ্গে

অনিশ্চয়তার বাদল ঘিরে এইবারের দুর্গাপুজো পশ্চিমবঙ্গে

দুর্গাপুজো বাংলায় বলতে গেলে অর্থনীতির এক প্রধান কড়ি কিন্তু এই বারের দুর্গাপূজাকে প্রতিস্থাপন করতে সংস্থাপক দের মনে ঘুরছে ভীষণ অনিশ্চয়তা। সংস্থাপকরা, মৃৎশিল্পীরা এবং সাধারণ বাঙ্গালীদের মনে ও লুকিয়ে রয়েছে এক বিষন্নতা এবং অনিশ্চয়তা ভরা আভাস।
প্রশ্ন একটাই ,”কি করে এইবারের দুর্গাপূজা উদযাপন করা হবে?”

হুগলি নদীর পারে অবস্থিত কুমোরটুলি নিজের মৃৎশিল্পের জন্য যুগান্তর থেকেই সকলের কাছে পরিচিত। চাইনা পাল, যিনি একজন মহিলা মৃৎশিল্পীর নামে বিশ্ব বিখ্যাত, চারমূর্তি চীনে অব্দি পৌঁছে গিয়েছে তার কারুকার্যের দক্ষতায়। তার মতে”আমরা জানি না এই বছর কি হবে, গত বছরের তুলনায় ব্যবসায় এইবার তার ৩০ শতাংশ ও পৌঁছুতে পারেনি। যারা প্রতিবছর আমাদের কাছ থেকে মূর্তি নিয়ে যান তারাও ছোট মূর্তির জন্য অর্ডার করেছেন।”
কুমোরটুলির প্রতিটা মৃৎশিল্পীর কাছে এই বছরটা ব্যবসার জন্য একটা অভিশপ্ত বছর।
সব বছরের ধরাবাঁধা প্যান্ডেল গুলি ও এইবারে শুধু খুঁটি পূজা দিয়ে সমাপ্তি করার ঘোষণা করেছে। তাছাড়াও উল্টাডাঙ্গার একটা ক্লাব দুর্গা মায়ের দশোভূজে মাস্ক ধরা একখানা ছবি প্রকাশ করেছে।

বিশেষ আকর্ষণ-সাউথ কলকাতা তিনজন প্রতিস্থাপক মিলে”ড্রাইভ ইন দর্শন”করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। যেখানে দর্শনার্থীরা এই তিনটা পুজো প্যান্ডেলে ঘুরতে পারবেন, যা অনুকরণ করা হয়েছে সত্যজিৎ রায়ের 100 তম জন্মবার্ষিকীর উপলক্ষে। তা ছাড়াও বিভিন্ন কমিটিরা সেনিটাইজেশন এর প্রতিও বিশেষ খেয়াল রাখবে।

প্রায় ২৮০০০ কমিটিরা পশ্চিমবঙ্গে দুর্গা পুজো করেন, শুধু কলকাতাই ৩০০০ টার থেকেও বেশি পুজো হয়। কিন্তু এইবারে পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতির অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তা পরোক্ষভাবে ভারতের অর্থনীতিকেও বিরাট ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।