Home National ” ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী যৌথ হুমকি মোকাবিলায় ...

” ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী যৌথ হুমকি মোকাবিলায় সক্ষম” চীন ও পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি রাওয়াতের

ইউএস-ইন্ডিয়া স্ট্রাটেজিক পার্টনারশিপ ফোরামের মতামত বিনিময়ের সেশনে চিফ ওফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত বলেন, পরমাণু থেকে শুরু করে সাব-কনভেনশনাল অর্থাৎ প্রচলিত-সম্ভাব্য সংঘাতের সবচেয়ে জটিল ও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে চলেছে ভারত। তবে সশস্ত্র বাহিনী তার মোকাবিলায় সক্ষম। জেনারেল বিপিন রাওয়াত আরও বলেন “ভারতকে প্রায়ই চীনা আগ্রাসনের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। কিন্তু আমারা সর্বোত্তম পথে লাল ফৌজের আগ্রাসন ঠেকাতে সক্ষম”। তার অভিযোগ লাদাখের স্থিতিশীল পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে চাইছে লাল-ফৌজ। জুন মাসে গালওয়ানে রক্তাক্ত সংঘর্ষের পরে সেনা ও কূটনৈতিকস্তরে দফায় দফায় আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হলেও ২৯ অগাস্ট রাতে প্যাংগং লেকের দক্ষিণে চিনা ফৌজের অনুপ্রবেশের চেষ্টা এবং ভারতীয় সেনার সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ফের পরিস্থিতি জটিল হয়েছে।তাছাড়াও রাওয়াত স্পষ্ট করে বলেন আগ্রাসী চীনের যেকোন আচরনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে যোগ্য পথে মোকাবিলা করতে সক্ষম ভারতীয় সেনা।

বেজিংয়ের বন্ধু পাকিস্তানকেও এদিন বার্তা দিয়েছেন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত। তিনি বলেছেন, ‘প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ইন্দো-চিন সীমান্ত উত্তেজনার সুযোগ কাজে লাগিয়ে কোনও দেশ ভারতের বিরুদ্ধে অপকর্ম করার চেষ্টা করে তাহলে তাদের প্রচণ্ড ক্ষতি হবে।’ সীমান্ত দিয়ে এ দেশে জঙ্গি অনুপ্রবেশের করানোর জন্যও এদিন পাকিস্তানকে দায়ী করেন তিনি। উনি বলেন, “পাকিস্তান জম্মু কাশ্মীরে সমস্যা সৃষ্টি করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। ওরা উত্তর সীমান্তে বিকশিত হওয়া যেকোন সমস্যার সুযোগে আমাদের জন্য মুশকিল সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু যদি ওরা ভারতের বিরুদ্ধে কোন দুঃসাহস দেখায়, তাহলে চরম ক্ষতির সন্মুখিন হতে হবে তাদের। আমরা এরজন্য সম্পূর্ণ ভাবে প্রস্তুত”। তাছাড়াও তিনি বলেন “পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে চিনের অর্থনৈতিক সহায়তা এবং সামরিক ও কূটনৈতিক সহায়তার কারণে আমাদের উচ্চ পর্যায়ের প্রস্তুতি নিতে হবে। উত্তর এবং পশ্চিম সীমান্তে উদ্ভূত হুমকির মোকাবিলায় আমাদের ধারণাগত কৌশল রয়েছে। আমাদের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় বিবেচনা এমন করতে হবে যাতে উত্তর এবং পশ্চিম প্রান্তে যে কোনও হুমকির জবাব দেওয়া যায়।

রাওয়াতের দাবি ভারতের সশস্ত্র বাহিনীকে টু ফ্রন্ট ওয়ারের জন্য তৈরি থাকতে হবে। তারজন্য উত্তর এবং পশ্চিম সীমান্তে তৈরি হওয়া সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য উচিৎ রণনীতি তৈরি করতে হবে। ইন্দো-পেসিফিক অঞ্চলে ভারতের পরিকল্পনা, আমেরিকার সঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সম্পর্কের তাৎপর্য ও প্রতিরক্ষায় ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে আত্মনির্ভর হয়ে ওঠার জন্য সরকারের গুরুত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি।